Physics Plus ICT

জানার আছে অনেক কিছু (তরঙ্গ)!!!


তরঙ্গ সম্পর্কিত জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নের সহজ সমাধান দেখুন এখানেই।

১। তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ মাধ্যমের কণাগুলোর পর্যাবৃত্ত যে আন্দোলন এক স্থান হতে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না তাকে তরঙ্গ বলে।

২। সরণ কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার সাম্যাবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ বলে।

৩। পূর্ণ স্পন্দন কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার একটি বিন্দু হতে যাত্রা শুরু করে পুনরায় একই পথে সেই বিন্দুতে ফিরে আসলে যে কম্পন্ন হয় তাকে পূর্ণ কম্পন বলে।

৪। বিস্তার কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার সাম্যাবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে বিস্তার বলে। সরণের সর্বোচ্চ মানই বিস্তার।

৫। কৌণিক বিস্তার কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণা সাম্যাবস্থান যে কোনো একদিকে সরে কোনো অবস্থানে এসে ঝুলনবিন্দুর সাথে যে কোণ তৈরি করে তাকে কৌণিক বিস্তার বলে।

৬। দোলনকাল কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন বা পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে দোলনকাল বলে।

৭। কম্পাংক কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার প্রতি সেকেন্ডে যতটি পূর্ণ স্পন্দন বা পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাংক বলে।

৮। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।

৯। দশা কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার যেকোনো মুহূর্তের গতির অবস্থা, অবস্থান ও দিক যা দ্বারা বুঝানো হয়, তাকে দশা বলে।

১০। আদি দশা কাকে বলে?

উত্তরঃ পর্যবেক্ষণের শুরুতে বা সময় গণনার শুরুতে তরঙ্গ সৃষ্টিকারি কোনো কণার দশাকে আদি দশা বলে।

১১। তরঙ্গবেগ কাকে বলে?

উত্তরঃ তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ বেগ বলে।

১২। তরঙ্গশীর্ষ কাকে বলে?

উত্তরঃ আড় তরঙ্গের ক্ষেত্রে এর ধনাত্বক দিকে এক তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সর্বাধিক সরণের বিন্দুওকে তরঙ্গশীর্ষ বলে।

১৩। তরঙ্গপাদ কাকে বলে?

উত্তরঃ আড় তরঙ্গের ক্ষেত্রে এর ঋণাত্বক দিকে এক তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সর্বাধিক সরণের বিন্দুওকে তরঙ্গশীর্ষ বলে।

১৪। তরঙ্গমুখ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে কোনো মুহূর্তে কোনো তরঙ্গের উপর অবস্থিত সমদশা সম্পন্ন কণাগুলোর সঞ্চারপথকে তরঙ্গমুখ বলে।

১৫। তরঙ্গ রশ্মি কাকে বলে?

উত্তরঃ সমসত্ত্ব মাধ্যমে তরঙ্গমুখের অভিলম্বে তরঙ্গ যেদিকে অগ্রসর হয় তাকে তরঙ্গ রশ্মি বলে।

১৬। আড় তরঙ্গ/অনুপ্রস্থ তরঙ্গ/তির্যক তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে আড় তরঙ্গ/অনুপ্রস্থ তরঙ্গ/তির্যক তরঙ্গ বলে।

১৭। লম্বিক তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বা দীঘল তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে লম্বিক তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বা দীঘল তরঙ্গ বলে।

১৮। অগ্রগামী তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে তরঙ্গ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সবসময় সামনের দিকে অগ্রসর হয় তাকে অগ্রগামী তরঙ্গ বলে।

১৯। তরঙ্গের তীব্রতা কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো অগ্রগামী তরঙ্গের সমকোণে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্যে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শক্তি প্রবাহিত হয় তাকে তরঙ্গের তীব্রতা বলে।

২০। উপরিপাতন নীতি বিবৃতি কর।

উত্তরঃ যদি দুই বা ততোধিক তরঙ্গ মাধ্যমের কোনো কনার উপর দিয়ে একই সাথে অতিক্রম করে তবে কণাটির লব্ধি সরণ হবে প্রত্যেকটি তরঙ্গ দ্বারা সৃষ্ট পৃথক পৃথক সরণের বীজগাণিতিক বা ভেক্টর সমষ্টির সমান।

২১। স্থির তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ মাধ্যমের কোনো সীমিত অংশে পরস্পর বিপরীতমুখী, একই তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট দুটি অগ্রগামী তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে যে লব্ধি তরঙ্গের সৃষ্টি হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।

২২। সুস্পন্দ বিন্দু এবং নিস্পন্দ বিন্দু কাকে বলে?

উত্তরঃ স্থির তরঙ্গের উপরে অবস্থিত যে সকল বিন্দুতে লব্ধি তরঙ্গের বিস্তার সর্বাধিক হয় তাদের সুস্পন্দ বিন্দু বলে।

স্থির তরঙ্গের উপরে অবস্থিত যে সকল বিন্দুতে লব্ধি তরঙ্গের বিস্তার শুন্য হয় তাদের নিস্পন্দ বিন্দু বলে।

২৩। মুক্ত কম্পন/স্বাভাবিক কম্পন কাকে বলে?

উত্তরঃ যেকোনো আকার, গঠন বা আকৃতির বস্তুকে আন্দোলিত করলে বস্তুটি একটি নিজস্ব কম্পাংক রক্ষা করে স্পন্দিত হয়, এ স্পন্দনকে মুক্ত কম্পন/স্বাভাবিক কম্পন বলে।

২৪। পরবশ কম্পন কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো কম্পনরত বস্তুওকে অন্য একটি কম্পনক্ষম বস্তুর নিকটে আনলে দ্বিতীয় বস্তুটিতে কম্পন শুরু হয়। একে পরবশ কম্পন বলে।

২৫। অনুনাদ কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো বস্তুর নিজস্ব কম্পাঙ্ক এবং তার উপর আরোপিত পর্যায়বৃত্ত স্পন্দনের কম্পাংক সমান হলে বস্তুটি অধিক বিস্তারে কম্পিত হয়। এ ধরণের কম্পনকে অনুনাদ বলে।

২৬। শব্দের তীব্রতা লেভেল কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো শব্দের তীব্রতা এবং প্রমাণ তীব্রতার অনুপাতের দশভিত্তিক লগারিদমকে শব্দের তীব্রতা লেভেল বলে।

২৭। প্রমাণ তীব্রতা কাকে বলে?

উত্তরঃ 1000Hz কম্পাংকবিশিষ্ট 10-12 Wm-2 তীব্রতাকে প্রমাণ তীব্রতা বলে।

২৮। বেল ও ডেসিবেল কাকে বলে?

উত্তরঃ শব্দের তীব্রতা প্রমাণ তীব্রতার 10 গুণ হলে ঐ শব্দের তীব্রতা লেভেল কে 1 বেল বলে।

২৯। ফন কাকে বলে?

উত্তরঃ এক ডেসিবেলের এর একটি বিশুদ্ধ সুর 1000 Hz কম্পাংকবিশিষ্ট প্রমাণ তীব্রতার যে প্রাবাল্য সৃষ্টি করে তাকে ফন বলে।

৩০। সোন কাকে বলে?

উত্তরঃ শ্রোতার শ্রাব্যতার সীমার 40dB উর্ধে 1000Hz কম্পাংকের একটি বিশুদ্ধ সুর যে প্রাবল্য সৃষ্টি করে তাকে সোন বলে।

৩১। শব্দের ব্যতিচার কাকে বলে?

উত্তরঃ দুটি সুসংগত উৎস হতে নিঃসৃত একই কম্পাংক ও বিস্তার বিশিষ্ট দুটি শব্দ তরঙ্গ একই দিকে অগ্রসর হয়ে পরস্পর উপরিপাতিত হয়ে শব্দের তীব্রতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।

৩২। গঠনমূলক এবং ধ্বংসাত্বক ব্যতিচার কাকে বলে?

উত্তরঃ দুটি সুসংগত উৎস হতে নিঃসৃত একই কম্পাংক ও বিস্তার বিশিষ্ট দুটি শব্দ তরঙ্গ একই দিকে অগ্রসর হয়ে পরস্পর উপরিপাতিত হয়ে শব্দের তীব্রতার বৃদ্ধির ঘটনাকে গঠনমূলক ব্যতিচার বলে।

দুটি সুসংগত উৎস হতে নিঃসৃত একই কম্পাংক ও বিস্তার বিশিষ্ট দুটি শব্দ তরঙ্গ একই দিকে অগ্রসর হয়ে পরস্পর উপরিপাতিত হয়ে শব্দের তীব্রতার হ্রাসের ঘটনাকে ধ্বংসাত্বক ব্যতিচার বলে।

৩৩। বীট কাকে বলে?

উত্তরঃ প্রায় সমান কম্পাংকের এবং সমান বিস্তারের দুটি শব্দ তরঙ্গ একই সময়ে উৎপন্ন হয়ে একই দিকে অগ্রসর হয়ে পরস্পর উপরিপাতনের ফলে শব্দের তীব্রতার হ্রাস বৃদ্ধির ঘটনাকে বীট বলে।

৩৪। স্বরগ্রাম কাকে বলে?

উত্তরঃ নির্দিষ্ট কম্পাংক বা তীক্ষ্ণতার কয়েকটি সাজানো সুরকে স্বরগ্রাম বলে।

৩৫। ডায়াটনিক স্বরগ্রাম কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি বিশেষ সুর ও এর এক-অষ্টকের মধ্যবর্তী ছয়টি বিশেষ সুরকে বাজিয়ে একটি স্বরগ্রাম তৈরি করা হয় আতে সুমধুর সুরের সৃষ্টি হয়। এই স্বরগ্রামে ক্রমবর্ধমান কম্পাংকের সমসংগতিপ্ররণ সুর থাকে বলে একে ডায়াটনিক স্বরগ্রাম বলে।

৩৬। সুর কাকে বলে?

উত্তরঃ একটিমাত্র কম্পাংক বিশিষ্ট শব্দকে সুর বলে।

৩৭। স্বর কাকে বলে?

উত্তরঃ একাধিক কম্পাংক বিশিষ্ট শব্দকে স্বর বলে।

৩৮। মূল সুর কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো স্বরে বিদ্যমান সুরগুলোর মধ্যে যার কম্পাংক সর্বনিম্ন তাকে মূল সুর বলে।

৩৯। উপসুর কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো স্বরে বিদ্যমান মূল সুর ব্যাতিত অন্যান্য সুরগুলোকে উপসুর বলে।

৪০। হারমোনিকস কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো স্বরে বিদ্যমান উপসুরগুলোর মধ্যে যেসকল উপসুরের কম্পাংক মূলসুরের সরল গুণিতক তাদেরকে হারমোনিকস বা সমমেল বলে।

৪১। টানা তারের সূত্রগুলোর বিবৃতি দাও।

উত্তরঃ ১৬৩৬ সালে ফরাসি গণিতবিদ মার্সেন টানা তারের তিনটি সূত্র আবিষ্কার করেন। যা নিম্নে বর্ণনাকরা হলো-

(১) দৈর্ঘ্যের সূত্রঃ টানা তারের আড় কম্পনের কম্পাংক এর দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক, যখন তারটির টান এবং প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ভর অপরিবর্তিত থাকে।

(২) টানের সূত্রঃ টানা তারের আড় কম্পনের কম্পাংক তারের টানের বর্গমূলের সমানুপাতিক, যখন তারটির দৈর্ঘ্য এবং প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ভর অপরিবর্তিত থাকে।

(৩) ভরের সূত্রঃ টানা তারের আড় কম্পনের কম্পাংক এর ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক, যখন তারটির টান এবং দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকে।

৪২। সুশ্রাব্য শব্দ কাকে বলে? সুশ্রাব্য শব্দের বৈশিষ্ট্যগুলোর সংজ্ঞা দাও।

উত্তরঃ যে সমস্ত শব্দ আমাদের শুনতে ভালো লাগে তাদেরকে সুশ্রাব্য শব্দ বলে। সুশ্রাব্য শব্দের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে (ক) শব্দোচ্চতা ও তীব্রতা (খ) তীক্ষ্ণতা বা কম্পাংক (গ) গুণ বা জাতি।

(ক) শব্দোচ্চতা ও তীব্রতাঃ শব্দোচ্চতা বলতে শব্দ কত জোরে হচ্ছে তা বোঝায়। তীব্রতা শ্রোতার কানে যে অনুভূতি সৃষ্টী করে তাই হলো শব্দোচ্চতা। তীব্রতা বাড়লে শব্দোচ্চতা বাড়লেও তা তীব্রতার সমানুপাতিক নয়। তীব্রতা একটি পরিমেয় ভৌত রাশি আর শব্দোচ্চতা অনুভব করার বিষয়।

(খ) তীক্ষ্ণতা বা কম্পাংকঃ শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য কোনো সুর চড়া বা চিকন, কোনো সুর মোটা বা খাদের তা বোঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে।

(গ) গুণ বা জাতিঃ যে বৈশিষ্ট্যের দ্বারা একই তীব্রতা ও তীক্ষ্ণতার দুটি শব্দকে আলাদা করা যায় তাকে শব্দের গুণ বা জাতি বলে।

৪৩। শব্দের তীক্ষ্ণতা কাকে বলে?

উত্তরঃ শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য কোনো সুর চড়া বা চিকন, কোনো সুর মোটা বা খাদের তা বোঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে।

৪৪। অষ্টক কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো সুরের কম্পাংক যদি মূল সুরের কম্পাংকের দ্বিগুণ হয়, তাকে বলা হয় মূল সুরের অষ্টক।

৪৫-খ। মেলডি বা স্বরমাধুর্য কাকে বলে?

উত্তরঃ কতকগুলো শব্দ যদি একের পর এক ধ্বনিত হয়ে একটি সুমধুর সুরের সৃষ্টি করে তবে তাকে মেলডি বলে।

(৪৫-খ) ত্রয়ী কাকে বলে?

উত্তরঃ যখন তিনটি শব্দের কম্পাংকের অনুপাত 4:5:6 হয় তখন তারা মিলে সুমধুর সুর উৎপাদন করে। শব্দের এরুপ সমন্বয়কে ত্রয়ী বলে।

৪৬। স্বরসংগতি কাকে বলে?

উত্তরঃ যখন ত্রয়ীর সাথে একটি শব্দ এমনভাবে মিলিত হয় যাতে অতিরিক্ত শব্দ ত্রয়ীর নিম্নতম শদবের অষ্টক হয় অর্থাৎ এদের কম্পাংকের অনুপাত 4:5:6:8 হয়, তাহলে এদের সমন্বয়ে শ্রুতিমধুর সুর উৎপন্ন হয়। এই সমন্বয়কে স্বরসংগতি বলে।

৪৭। সমতান বা হারমনি কাকে বলে?

উত্তরঃ কতকগুলো শব্দ যদি একসঙ্গে উৎপন্ন হয়ে ঐকতানের সৃষ্টি করে তবে তাকে সমতান বলে।

৪৮। সলো কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি মাত্র বাদ্যযন্ত্র বাজালে যে সুরের সৃষ্টি হয় তাকে সলো বা একক সংগীত বলে।

৪৯। অর্কেস্ট্রা কাকে বলে?

উত্তরঃ যখন অকেকগুলো বাদ্যযন্ত্র একসঙ্গে বাজিয়ে একটি সমতান বা একটি মেলডি অথাব একটি সমতান ও মেল্ডি উভয়ই সৃষ্টি হয়, তখন তাকে অর্কেস্ট্রা বলে।

৫০। সুরবর্জিত শব্দ বা নয়েজ বা সোরগোল কাকে বলে?

উত্তরঃ শব্দ সৃষ্টিকারি উৎসের কম্পন যদি অনিয়মিত এবং ক্ষণস্থায়ী হয় তাহলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় তা সুরবর্জিত বা সোরগোল বা নয়েজ বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *